‘আমরা নিবেদিত মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায়’ মানবতার এই মহানব্রত এবং বিশ্বাস নিয়ে সেলফ এইড প্রতিষ্ঠিত হয়। মানুষের অর্থনৈতিক অধিকার, মানবাধিকার ও ভোক্তা অধিকার বাস্তবায়নের চেতনা নিয়ে সোস্যাল হিউম্যানরাইট এসোসিয়েশন-শ’তরূপা ১৯৯২ সালের ১৪ই মার্চ নকশাবিদ কে.জি.এম সবুজ এর সাংগঠনিক পরিকল্পনায় প্রতিষ্ঠিত হয়।বৃহত্তর সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলাস্থ মনরাজ গ্রামে লংলা প্রগতি যুব সংঘের উপদেষ্টা মিসেস রওশর আরা বেগম-এর বাস ভবনে। সংস্থার পরিকল্পনা ও নামকরণের সহযোগিতায় ছিলেন লংলা প্রগতি যুব সংঘের উদ্যোক্তা বেশকিছু স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সহযোগী।শ’তরূপার প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯২ সালের ২০আগস্ট চট্টগ্রামে ১২৮২নং ব্যাটারী গল্লিস্থ নেভী হাউস মিসেস দিল ফয়েজ বেগম-এর বাস ভবনে। প্রাথমিক ভাবে সংস্থা শ’তরূপা নামে কার্যক্রম শুরু করলেও পরবর্তীতে সংস্থাটি ‘শ’তরূপা ইকনোমিক্যাল লিবারেশন ফাউন্ডেশন- সেলফ এইড পরিচিত লাভ করে।চলমান বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থাসমূহের পরনির্ভরতার উন্নয়ন নীতি পরিহার করে-স্বনির্ভরতা প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়ন তহবিল সৃষ্টি উদ্যোগ গ্রহণ করে।

ভোক্তা অধিকার এর লক্ষ্য:

সমাজের সর্বস্তরের ভোক্তা ও ভাড়াটিয়াদের দেশের প্রচলিত আইন এবং আইনগত ভাবে তাঁদের প্রাপ্ত অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা। ভোক্তা ও ভাড়াটিয়াদের আইনগত অধিকার অর্জনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রযুক্তিগত আইনী সহায়তা প্রদান করা।

ভোক্তা অধিকার-এর উদ্দেশ্য :  সর্বস্তরের পণ্য বিক্রেতাদের মান সম্পন্ন পণ্য বিক্রয় ও বাড়িওয়ালাদের প্রচলিত আইন মেনে বাসা ভাড়া বৃদ্ধির ক্ষেত্রে উদ্বুদ্ধ করা। ভোক্তা ও ভাড়াটিয়াদের অধিকার অর্জনে ভেজাল এবং দুর্নীতি রোধে প্রত্যেক পরিবারের একজন ভাল সদস্যকে সম্পৃক্ত করার -মাধ্যমে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। ভেজাল পণ্য ও বাসাভাড়া আদায়ের তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে ভেজাল প্রতিরোধ এবং কর আদায়ের ক্ষেত্রে সরকারী সংস্থা সমূহকে সহায়তা করা। ভোক্তা ও ভাড়াটিয়া অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সর্বস্তরে দুর্নীতিমুক্ত বৈষম্যহীন স্থিতিশীল সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। কনজিউমার এক্টিভিস্ট : যে সামাজিক অপরাধে সম্পৃক্ত নয়, আইনের প্রতি শদ্ধাশীল, নিজের সৎ উপার্জিত অর্থের কিছু অংশ ও সময় ব্যয় করে ভোক্তা অধিকার অর্জনে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করেন এবং অধিকার বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ান তিনিই ভোক্তা অধিকার কর্মী। সমাজ পরিবর্তনে বিশ্বাসী, আদর্শ ও চিন্তা চেতনায় অগ্রসরমান স্বেচ্ছাসেবী মনোভাবাপন্ন মানুষই ভোক্তা অধিকার সংগ্রামী বা কনজিউমার এক্টিভিস্ট হিসাবে বিবেচিত হবেন।
Latest News

Comments are closed.